ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন প্রক্রিয়া শুক্রবার (৩ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় শুরু হয়েছে। খামেনি ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন। তার মৃত্যুর চার মাস পর আজ ভোরে মরদেহ সেখানে আনা হয়, যেখানে সাধারণ জনগণের শেষ বিদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তেহরানে খামেনির দাফন উপলক্ষে ইরান ও ইরাকের অন্তত পাঁচটি শহরে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। খামেনির মরদেহ দেশটির ইতিহাসের বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় দাফন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আনা হয়েছে। তবে ইসলামী সংস্কৃতি অনুযায়ী, এত বিলম্ব অস্বাভাবিক বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে দাফন প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানান, খামেনির মরদেহ ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী সংরক্ষণ করা হয়েছিল এবং এটি হিমায়িত শীতল সংরক্ষণাগারে রাখা হয়েছিল।
আজ প্রথম দিনেই ইন্দোনেশিয়া, আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় পণ্ডিত ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত হয়েছেন। এছাড়া রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ ৩০টিরও বেশি দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তেহরানে পৌঁছেছেন।
আগামী শনিবার ও রবিবার সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সোমবার তেহরানে মূল জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহ পবিত্র শহর কোমে নিয়ে যাওয়া হবে এবং ৯ জুলাই ইরানের মাশহাদ শহরে দাফন সম্পন্ন হবে।